How do the days and nights occur? দিন ও রাত্রি কিরূপে পর্যায়ক্রমে আসে? অথবা, দিবা ও রাত্রি কিভাবে সংগঠিত হয় বুঝাইয়া দাও।

 How do the days and nights occur? Discuss precisely with diagram. দিন ও রাত্রি কিরূপে পর্যায়ক্রমে আসে? অথবা, দিবা ও রাত্রি কিভাবে সংগঠিত হয় বুঝাইয়া দাও।

How do the days and nights occur? Discuss precisely with diagram. দিন ও রাত্রি কিরূপে পর্যায়ক্রমে আসে? অথবা, দিবা ও রাত্রি কিভাবে সংগঠিত হয় বুঝাইয়া দাও।


আহ্নিক গতির ফলে পৃথিবীতে দিন ও রাত্রি হইয়া থাকে। পৃথিবী এবং অন্য সকল গ্রহই সূর্য হইতে আলোক পাইয়া থাকে। তবে সমস্ত গ্রহগুলি গোলাকার বলিয়া একই সঙ্গে তাহাদের সকল অংশে সূর্যালোক পড়িতে পারে না। সেইজন্যই পৃথিবীর অর্ধাংশ মাত্র, অর্থাৎ যে অংশ সূর্যের মুখোমুখী থাকে সেই অংশই আলোকিত হয় এবং বিপরীত দিকের অপর অর্ধাংশ সূর্যালোক না পাওয়ার জন্য অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকে। তখন পৃথিবীর এই আলোকিত অর্ধাংশে দিন এবং অন্ধকারাচ্ছন্ন অর্ধাংশে রাত্রি হয়।


আলোকের গতি সর্বদা সরলভাবে চলে, কখনও বাঁকিয়া চলে না। পৃথিবী গোলাকার। সেইজন্য পৃথিবীর কোন একটি নির্দিষ্ট স্থানে মাত্র সূর্যালোক লম্বভাবে পড়িতে পারে। পৃথিবীর অপর যে অংশেই আলোক পড়িবে তাহা দূরত্ব অনুসারে তির্যক হইতে তির্যকতর হইবে।


আবার পৃথিবী আপন মেরুরেখার চারিদিকে অনবরত ঘুরিতেছে। সুতরাং সূর্যালোক একই জায়গায় স্থিরভাবে থাকিতে পারে না। পৃথিবীর যে অংশ সর্বাধিক সূর্যালোক পাইতেছে, আবর্তনের ফলে সেই অংশও দূরে সরিয়া পড়িতেছে এবং পূর্বে যেসব জায়গায় সূর্যালোক তির্যকভাবে পড়িতেছিল সেই অংশগুলি ক্রমাগত সূর্যের ঠিক নীচে আসায় সেইখানেই সর্বাধিক আলোকপাত হয়। পৃথিবী পশ্চিম হইতে পূর্বে ঘুরিতেছে। সুতরাং সূর্যকিরণ ও পূর্বদিকের স্থানগুলিকে আগে এবং পশ্চিমদিকের স্থানগুলিকে পরে আলোকিত করে। পৃথিবীর আলোকিত অর্ধাংশ ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অর্ধাংশের সংযোগস্থলের মধ্য দিয়া যে বৃত্তের কল্পনা করা হয় তাহার নাম ছায়াবৃত্ত (circle of shadow)।


সূর্যকিরণ পৃথিবীর যে অংশে লম্বভাবে পতিত হয় সেখানে মধ্যাহ্ন। তার ঠিক বিপরীত দিকে তখন মধ্যরাত্রি। আবার আলোকিত ও অর্ধাংশের সন্ধিস্থলের পূর্বদিকের সময় প্রভাতকাল এবং পশ্চিমদিকের সময়ের নাম গোধূলি।

About the author

Irisha Tania
"আমি সেই মেয়ে, যে শব্দে বাঁচে। কলম আমার অস্ত্র, আর কাগজ আমার স্বপ্নের আকাশ। প্রতিটি অনুভব, প্রতিটি চিন্তা আমি সাজিয়ে রাখি অক্ষরের গাঁথুনিতে। কখনো গল্পে, কখনো কবিতায়, আবার কখনো নিঃশব্দের ভেতরে। আমি লিখি, কারণ লেখার মাঝে আমি নিজেকে খুঁজে পাই। …

Post a Comment