How is the longitude of a place determined? কোন স্থানের দ্রাঘিমাংশ কিভাবে নির্ণয় করা যায়?

How is the longitude of a place determined? কোন স্থানের দ্রাঘিমাংশ কিভাবে নির্ণয় করা যায়?

How is the longitude of a place determined? কোন স্থানের দ্রাঘিমাংশ কিভাবে নির্ণয় করা যায়?

How is the longitude of a place determined? কোন স্থানের দ্রাঘিমাংশ কিভাবে নির্ণয় করা যায়?


নিম্নলিখিত উপায়গুলির দ্বারা দ্রাঘিমাংশ বা দেশান্তর নির্ণয় করা যায়:-

(১) স্থানীয় সময়ের পার্থক্য দ্বারা-পৃথিবীর পরিধি ৩৬০°। এবং পৃথিবী ২৪ ঘণ্টায় একবার নিজের মেরুরেখার চারিদিকে ঘুরিয়া থাকে। সুতরাং ২৪ ঘণ্টায় পৃথিবী ৩৬০০ আবর্তন করে। অর্থাৎ প্রত্যেক ডিগ্রী ঘুরিতে তাহার ২৬০= ৪ মিনিট সময় লাগে। সুতরাং প্রতি ডিগ্রীতে সময়ের ১৪৬০  ৩৬০ অন্তর ৪ মিনিট পৃথিবী  ঘুরে । কাজেই পূর্বদিকের স্থানগুলি আগে সূর্যালোক পায় । অর্থাৎ কোনস্থানে সূর্যোদয় হওয়ার ৪ মিনিট পর তা ১০ ডিগ্রী পশ্চিমে অবস্থিত স্থানে সূর্যোদয় হবে। ইহা হইতে বুঝা যায় যে, কোন দুই স্থানের সময়ান্তর লক্ষ্য করিয়া দুই স্থানের দ্রাঘিমার 'পার্থক্য জানা যায়। এবং একটির দ্রাঘিমা জানা থাকিলে অপরটির দ্রাঘিমা সহজেই জানা যায়।

(২) গ্রীনিচের সময় দ্বারা-গ্রীনিচের দ্রাঘিমাংশ০০। গ্রীনিচের সময়ের সহিত মিলাইয়া অন্যান্য সকল স্থানের সময় রাখা হয়। গ্রীনিচের সময় বেতারের সাহায্য অথবা chronometer (বিশেষ ধরনের ঘড়ি)-এর সাহায্যে জানা যায়। আবার প্রত্যেক স্থানেরই স্থানীয় সময় থাকে। স্থানীয় সময় র মধ্যাহ্ন সূর্যের অবস্থান দেখিয়া বাহির করা হয়। সেক্সট্যান্ট (sextant) নামক সূক্ষ্ম যন্ত্রের সাহায্যেই ইহা সম্ভব। এক্ষণে, গ্রীনিচের সময় ও স্থানীয় সময়ের পার্থক্য দেখিয়া কোন স্থানের দ্রাঘিমাংশ বাহির করা হয়। পৃথিবী পশ্চিম হইতে পূর্বে ঘুরিতেছে। সুতরাং, যদি কোন স্থানের স্থানীয় সময় গ্রীনিচের সময় হইতে অগ্রবর্তী হয়, তবে বুঝিতে হইবে ঐ স্থান গ্রীনিচের পূর্ব দ্রাঘিমায় এবং ইহার স্থানীয় সময় পশ্চাৎবর্তী হইলে উহা গ্রীনিচের পশ্চিম দ্রাঘিমায় অবস্থিত। প্রতি ডিগ্রী দ্রাঘিমাতে সময়ের অন্তর ৪ মিনিট। সুতরাং সময়ের পার্থক্যকে ৪ মিনিট দিয়া ভাগ করিলে দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।

About the author

Irisha Tania
"আমি সেই মেয়ে, যে শব্দে বাঁচে। কলম আমার অস্ত্র, আর কাগজ আমার স্বপ্নের আকাশ। প্রতিটি অনুভব, প্রতিটি চিন্তা আমি সাজিয়ে রাখি অক্ষরের গাঁথুনিতে। কখনো গল্পে, কখনো কবিতায়, আবার কখনো নিঃশব্দের ভেতরে। আমি লিখি, কারণ লেখার মাঝে আমি নিজেকে খুঁজে পাই। …

Post a Comment